Today — I am married to her tear drops

Today —
I am married to her tear drops —
Twinkling crimson rays of twilight
Crawling down her soft cheeks.
I make love to them at
The end of day —
When the mighty sun dies
And the moon high above the sky,
When the music is drunk
And each note dances upon the air.
I shake the fading stars
Bang the night
Frenzied my heart in amaze
Listening to the echoing sea shell
And I make love to her
I make love to her tear drops
Cascading in a whirling wind
Of words and phrase.

KaziMustakim_All Rights Reserved © 2017

আমাদের গল্প

মার্চ মাসের ১৮ তারিখ। সকালটা সেদিন শুরু হয়েছিল একটা অদ্ভুত অনুভূতি নিয়ে। কি যেন একটা চাপা আনন্দ কাজ করছিল। নিজের অজান্তেই অনেকবার মুখে হাসি আসছিল সেদিন। কেন? যদি বলি যে সেদিন প্রথম দেখা হল আমাদের। আমি ঢাকাতে থাকি আর তার এলাকাতে, তার বাসার কাছেই থাকি শোনার পরে ওর যে সে কি আনন্দ। ভাবছিলাম কেন? আজ জানি আমি কেন।

পরিচয়টা কিভাবে?

ফেসবুকে পরিচয় আমাদের।

দেখা করব যেদিন ভেবেছিলাম আর দেখা করে বলব আমার অনুভূতিগুলো, সেদিন থেকেই কোন এক অজানা কারণে তাকে চলে যেতে হয়েছিল। ভাবিনি ফিরে আসবে সে।

একটা বছর পেরিয়ে গেল। মাঝে একবার কি দুবার কথা হয়েছিল ওর সাথে আমার। সেটা অনেক ফরমাল কথাবার্তা। সেখানে কোন অনুভূতির ছোঁয়া ছিল না। আমিও আর চাইনি বলতে। বলতে পারিনি একটা বছর আগে যে আমি ভালোবাসি তোমাকে।

অফিস থেকে বের হলাম। ভেতরের চাপা আনন্দটা ধরে রাখার বৃথা চেষ্টা করে যাচ্ছি।

নামলাম বাস থেকে। ফোন দিলাম কোথায়। প্রথম কণ্ঠ শুনলাম তার। বলল আমি বইয়ের দোকানগুলোর কাছে। কিভাবে যেন অনেকের মাঝে থেকে পেছন থেকে বুঝলাম ওটাই ও ছিল।

গিয়ে বোকার মত বললাম – “কি অবস্থা”?

ওর বই কেনা শেষ হল আর আমরা রিকশা নিলাম। কাছেই একটা ফুচকার দোকানে বসলাম।

কোন এক অজানা কারনে সেদিন ওকে রাজ্যের লজ্জা পেয়ে বসেছিল।

আর আমি? মন্ত্রমুগ্ধের মত ওকে দেখছিলাম আর ভাবছিলাম – একটা মানুষ এত সুন্দর কিভাবে হয়?

মনে পড়ছিল সেদিন কাজী নজরুল ইসলামের “শিউলি মালা” গল্পের একটা লাইন – “চোখে এক ক্ণা বালি পড়তেই যদি চোখ এতো জ্বালা করে, চোখে যার চোখ পড়ে তার যন্ত্রনা বুঝি অনুভুতির বাইরে।”

আজহারের শিউলিকে দেখে ঠিক এ কথাটা কেন মনে হয়েছিল সেদিন ওর সামনে বসে ফুচকার দোকানে অন্তর থেকেই অনুধাবন করলাম কথাটার অন্তর্নিহিত অর্থ।

দুইটা ঘন্টা বকবক করলাম। সেদিন চেয়েছিলাম সময়টা থেমে যাক।

সময় থামে নি। আমাদের গল্পটাও না।

অনেকটা পথ হেঁটেছি দুজন একসাথে। কখনো এক মুহুর্তের জন্যেও ক্লান্তি আসে নি আমার। আসবেও না আমি জানি।

আজ অনেকটা দিন পেরিয়ে এসে আজ আমরা পেয়েছি একজন অন্যজনকে। পেয়েছি কোন সমাজের নিয়মকানুন মেনে না। এক স্বপ্নের দুনিয়াতে আমাদের বাস এখন। দূরে থাকি ওর থেকে আমি। সমাজ কিছু প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দিয়েছে আমাদের জন্য। তাই দূরে থাকি।

কিন্তু ভালোবাসি পাগলের মত।

এটা তিক্ত এক সত্য আমাদের গল্পের।

একটা অপেক্ষা।

অপেক্ষা সেদিনের যেদিন আমরা হয়তো কাছে আসব একজন অন্যজনের।

নাহলে এভাবেই থাকব।

থেকে যাব হয়তো।

এটাই আমাদের গল্প।